ভাইরাসটা কী?

করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক – যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি।

এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী প্রাণহানি হয়েছে ১.৫ লাখের বেশি মানুষের। বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা ১৮+ লাখে পৌঁছেছে।

ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯ – এনসিওভি বা নভেল করোনাভাইরাস। এটি এক ধরণের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।

 

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) মঙ্গলবার ( ১৪ এপ্রিল ) সকাল পর্যন্ত এক দিনে ৫ হাজার ৪২৩+ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এতে মোট মৃতের সংখ্যা ১১,৯৭৫৪+ জনে পৌঁছেছে। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৫২৮৩৮+ জন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থল চীন ছাড়াও বিশ্বের মোট ১৯৯+ দেশে মরণঘাতী ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে।

corona virous

তাছাড়া ঝুঁকিতে আছে আরও অনেক দেশ। এতে বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৯, ২৯১২১ ছাড়িয়েছে। যাদের মধ্যে ইতালি, ইরান, স্পেন, আমেরিকা, যুক্তরাষ্ট্র, ওদক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এমন অবস্থায় বিশ্বজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এ  ভাইরাসে সংক্রমিত হলে সহজে বোঝা যায় না। এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো হলো সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, জ্বর, শ্বাসকষ্ট। সাধারণ ফ্লুর ক্ষেত্রেও একই উপসর্গ দেখা যায়। অনেকে এসব উপসর্গ নিয়েই ঘরের বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ফলে কারও করোনা পজিটিভ থাকলে সহজেই অন্যরা সংক্রমিত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাঁচি-কাশি, জ্বর, সর্দি, গলা ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলেই যে হাসপাতালে যেতে হবে এমনটা নয়। বরং এমনটা হলে দুই সপ্তাহ

 

হোম কোয়ারেন্টিনে থাকুন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এসব উপসর্গ দিলে কেউ যদি হোম কোয়ারেন্টিনে থাকেন তবে তিনি কী ওষুধ খাবেন? কীভাবেই বা নিজের যত্ন নেবেন?

 

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছেন বিজিএমইএ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। তারা জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট— এই উপসর্গগুলোর যে

কোনো একটি দেখা দিলে ৫টি পরামর্শ মেনে চলতে বলছেন এবং তার সঙ্গে রোগ অনুযায়ী ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিচ্ছেন।

লক্ষণ অনুযায়ী যে ওষুধ খেতে হবে

১. নাপা (এক্সটেন্ড ৬৬৫ এমজি)। জ্বর-ব্যথা থাকলে এটি খেতে হবে। ১+১+১ ভরা পেটে (প্রয়োজন মতো)।

২. ফেক্সো (১২০ এমজি)। শুধুমাত্র রাতে (৭ দিন)।

৩. সিভিট (২৫০ এমজি)। সকাল এবং রাতে চুষে খেতে হবে (২ সপ্তাহ)।

৪. এন্টাজল নাসাল (০.১%)। শ্বাস-কষ্ট হলে ২ ফোটা করে, দুই নাকের ছিদ্রে, দিনে ৩ বার নিতে হবে।

৫. ক্যাপসুল পিপিআই (২০ এমজি)। সকাল ও রাতে খাদ্য গ্রহণের ২০ মিনিট আগে খেতে হবে।

 

পাঁচ পরামর্শ

 

১. অন্তত ১৪ দিন বা দুই সপ্তাহ বাসায় অবস্থান করতে হবে।

২. প্রচুর পানি পান করতে হবে।

৩. অন্য কেউ যেন আক্রান্ত না হয় তাই মাস্ক পরিধান করতে হবে।

৪. সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

৫. ফল-মূল ও শাক-সবজি খেতে হবে।

 

তবে সবগুলো লক্ষণ দেখা দিলে এবং পরিস্থিতির উন্নতি না হলে অবশ্যই আইইসিডিআর এর হটলাইনে যোগাযোগ করুন।

 

 

 

 

 

Author

Write A Comment

5 × 5 =

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close