24শে এপ্রিল রিলিজ হলো ক্রিস হেমসওয়ার্থ অভিনীত মুভি Extraction। এই সিনেমাতে যথেষ্ট কারণ আছে বাংলাদেশের মানুষকে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করার।

১. বাংলাদেশকে তৃতীয় বিশ্বের এক সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণ করতে এই মুভিই যথেষ্ট। সিনেমাতে দেখানো হয়েছে যে ৮/১০ বছরের শিশু থেকে নিয়ে কিশোর সবাই বড় বড় বন্দুক ও হাতিয়ার চালাতে ওস্তাদ।

বাংলাদেশের রাস্তায় মুড়ি মুড়কির মতো গুলি, বোমা ও গ্রেনেড ছোড়া হয়। মশা মাছির মতো মানুষ মরে ঢাকার রাস্তায়। যখন তখন হেলিকপ্টার ডাকা যায় ও গ্রেনেড দিয়ে হেলিকপ্টার উড়িয়ে দেওয়া হয় ঢাকার রাস্তার উপরে, যেন ছেলের হাতে মোয়া।

২. মুভিতে বাংলাদেশি আর্মি ও এলিট ফোর্সকে একজন ড্রাগডিলারের দাস হিসেবে দেখানো হয়েছে এবং গোটা রাষ্ট্রযন্ত্র যেন এই মাফিয়া ডনের গোলাম।

৩. আহত অবস্থাতেও যেভাবে ক্রিস বাংলাদেশের স্পেশাল ফোর্সের সোলজারদের মশা মাছির মত মারছে, যা খুব‌ই লজ্জাজনক, অপমানজনক ও হাস্যকর তো বটেই।

৪. ঢাকা শহরকে আফ্রিকার কোন ঘিঞ্জি ও নোংরা শহরের মত দেখানো হয়েছে। চারিদিকে শুধু ট্রাফিক জ্যাম ও ধুলা বালি, যেন মরুভূমির মতো; সৌন্দর্যের কোন স্থান যেন নেই ঢাকাতে। যদিও শ্যুটিং করা হয়েছে ভারতে।

৫. ঢাকার পথশিশুদের (টোকাই ) যেভাবে বড় বড় রাইফেল নিয়ে ঘুরাঘুরি করতে দেখা গেছে ও তা চালাতে সিদ্ধহস্ত হিসাবে দেখানো হয়েছে তা দেখে বাংলাদেশকে আফ্রিকার কোন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ হিসাবে মনে হচ্ছে।

৬. বাংলাদেশের মানুষ ভারতীয় একসেন্টে বাংলা বলছে, গালি দিচ্ছে যা রীতিমতো হাস্যকর ও একইসাথে বিরক্তিকর। তার উপরে ভারতীয় হিন্দিভাষী অভিনেতাদের বাঙালী বানিয়ে তাদের দিয়ে বাংলা বলিয়ে বাংলা ভাষার একেবারে ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে।

এই মুভিটা যে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে চরমভাবে ছোট করলো তাতে কোন সন্দেহ নেই। এর বিরুদ্ধে মামলা হওয়া অবশ্যই দরকার। সেইসাথে বাংলাদেশের মানুষের এই মুভিকে উচিত নেভেটিভ রিভিউ ও রেটিং দেওয়া।

Write A Comment

one + thirteen =

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close